Translate

Monday, 13 February 2023

মাছের খাদ্য প্রস্তুত করবেন যেভাবে দেখে নিন

 #মাছের_খাদ্য

মাছের সম্পূরক খাদ্য ও সুষম খাদ্য রেসিপি (বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে)- মাছ চাষের জন্য প্রাকৃতিক খাবারের পাশাপশি ভালো মানের সম্পূরক খাবার মাছের দ্রুত ওজন বৃদ্বি নিশ্চিত করে।তবে খাদ্য তৈরি করার আগে খরচের বিষয় টি কষে নেওয়া ভালো। সাথে প্রয়োজনীয় উপকরনের গুনগত মান ভালো করে দেখে নেওয়া। মিশ্র জাতীয় মাছ চাষে আমিষের সঠিক পরিমাণ নির্ধারন করা আবশ্যক। মিশ্র জাতীয় মাছ চাষ করে এর আমিষ এর পরিমান 20-30% রাখতে হবে। 20% এর বেশি আমিষের পরিমান রাখতে গেলে খরচ অনেক বেশি হবে। ক্ষুদ্র খামারীর জন্য ২০% ই যথেষ্ট। বিভিন্ন রকমের রেসিপি তে খাদ্য তৈরি করলে  আমিষের পরিমান  20-35% থাকবে । 20% আমিষ ই যথেষ্ট ক্ষুদ্র খামারীর জন্য। অন্যন্যা বড় বড় খামারী দের ভিন্ন মতামত থাকতে পারে আমিষ এর ব্যপারে। ২০% আমিষের খাদ্যে মোটামুটি ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। নিচে দেওয়া হল ১০০ কেজি খাদ্য (আমিষ এর পরিমান ২০%) তৈরির তালিকায় উপাদান ও আমিষের পরিমাণ

উপাদান

শুটকী গুড়া

চালের কুড়া

সরিষার খৈল

ভিটামিন

চিটাগুড়

লবণ


পরিমাণ KG

১০

৫২

৩০

প্রিমিক্স


আমিষ %

৪.২২

৬.১

৯.১৯

২%

০.২৭

০.২২


উপরোক্ত উপাদানের মিশ্রনে খাদ্য তৈরী করতে এবং খাদ্যের মান সঠিক রাখতে নিজেই বাজারে গিয়ে উপাদান গুলো ক্রয় করতে হবে। ভিটামিন হিসেবে প্রিমিক্স ব্যবহার করা যায়। যার দাম পাইকারী 290 টাকা।এভাবে খাদ্য তৈরীতে প্রতি কেজিতে 23-24 টাকা খরচ হয়। খরচ মূলত মিশ্রন গুলোর দামের উপর নির্ভর করে। খাদ্যের বাইন্ডার হিসাবে আটা ব্যবহার করতে হবে। খাদ্য গুলো তিন ভাবে তৈরি করা যায় পিলেট , বল ও পাউডার আকারে। যেভাবে তৈরি করা হোক না কেনো , খাদ্য প্রয়োগ নির্দিষ্ট কয়টি জায়গায় করতে হবে। এতে করে খাদ্যের অপচয় কম হয়। খাদ্য প্রয়োগ যে হারে করতে হয়।

ছোট রেনু মাছের জন্য (পাউডার) ওজনের 10-15%।

মিশ্র মাছের জন্য (পিলেট) ওজনের 2-5%।

মিশ্র মাছের জন্য বল/ভেজা ওজনের 6-8 %।

Sunday, 12 February 2023

বাতাবি লেবু চাষ

 #বাতাবি_লেবু

বাতাবি লেবু তবে জাম্বুরা নামে এটি বেশি পরিচিত। বর্ষার শেষ পর্যায় থেকে শুরু করে শীত আসার আগ পর্যন্ত জাম্বুরার পূর্ণ মৌসুম। বাজারে এখন প্রচুর পাওয়া যাচ্ছে এই ফল। ভিটামিন আর খনিজ উপাদানে পরিপূর্ণ জাম্বুরা খাওয়ার উপকারিতা অনেক। জাম্বুরায় ভিটামিন ‘সি’ প্রচুর পরিমাণে আছে। প্রতিদিন একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের যতটা ভিটামিন ‘সি’ প্রয়োজন, একটা জাম্বুরাতে তার চেয়ে বেশি পাওয়া যায়। ঠান্ডা, সর্দি-জ্বর ইত্যাদি সমস্যায় জাম্বুরা বেশ উপকারী। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। জাম্বুরার কোয়ার খোসাসুদ্ধই খেতে হয় এই ফল। ফলে রসের সঙ্গে সঙ্গে অনেক আঁশও খাওয়া হয়ে যায়। এই আঁশ হজম ও বিপাকক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে। জাম্বুরায় কারনিটিন পামিটয়েলট্রানসফারেজ নামের এক ধরনের উৎসেচক আছে। এটা শরীরের ওজন কমাতে সহায়ক। জাম্বুরায় আরও আছে পটাশিয়াম। এটি রক্তনালি প্রসারিত করে ও রক্তচাপ কমায় এবং হৃদ্যন্ত্র ভালো রাখে। পায়ের নানা রকমের ব্যথা এবং হাড় ক্ষয়রোধেও জাম্বুরার ভূমিকা রয়েছে। তবে পটাশিয়াম থাকার কারণে কিডনি বিকলতার রোগীরা জাম্বুরা বেশি পরিমাণে খেতে পারবেন না। আবার যাঁদের রক্তচাপ কম, তাঁদেরও একটু সাবধানে খেতে হবে। #SARKER_f@®m$

Saturday, 11 February 2023

খরগোশ পালন

 #খরগোস_পালন 

৫ থেকে ৭ টি বাচ্চা দেয় একবারে।বছরে ৩ বার।এক বছরে অনেক খরগোস হয়।কলমি লতা,কলা পাতা,ঘাস,সব্জির খোসা ভুট্টা এগুলি খেতে ভালোবাসে।খাবার না থাকলে ডাল,ভাত বিস্কুট কেক সব কিছুই খায়।বিল্ডিং এর ভিতর বেলকুনি বা ছাদেও পালন করতে পারেন।কাঠের গুড়ো দিয়ে দিবেন।২/১ দিন পর পর পরিস্কার করে দিবেন।বাজার থেকে ফেলে দেওয়া শীতকালিন সব্জি অথবা কিনে সব্জি ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন।দুটো খরগোশ এভাবে পালন করতে পারেন।৫/৭ টি বাচ্চা দিবে। যেখানে পাখী বিক্রি হয় ওখানে খরগোস বিক্রি হয়।না পেলে ঢাকা কাঁটাবন এলাকায় সব ধরনের পশু-পাখী বিক্রি হয়।বাদামী বা কালো খরগোশ কিনলে ভালো হয়।সাদাগুলো একটু সৌখিন।অসুখ হলে কম বাঁচে।

খরগোস সম্পকৃত কিছু তথ্যঃখরগোশ অত্যন্ত নিরীহ একটি প্রাণী। দুই থেকে তিন কেজি ওজনসম্পন্ন অধিক উৎপাদনশীল ও দ্রুত বর্ধনশীল খরগোশ পালন বেশ লাভজনক। অল্প পুঁজি ও পরিশ্রমে খরগোশ পালন করা যায়। খরগোশের মাংস অধিক পুষ্টিমানসম্পন্ন ও চামড়া মূল্যবান পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। শিশুদের কাছে খরগোশ খুবই পছন্দের একটি পোষা প্রাণী। বেকার তরুণ-তরুণী অল্প জায়গা ও মূলধনে এ খাত থেকে ভালো টাকা উপার্জন করতে পারেন। খরগোশ অত্যন্ত নিরীহ ও শান্ত প্রাণী। এটি পালন বেশ সহজ ও লাভজনক। কম জায়গা ও কম মূলধনের জন্য এটি হতে পারে একটি লাভজনক ব্যবসা। ছয় মাস বয়সে খরগোশ বাচ্চা দেওয়া শুরু করে। প্রতিবারে এরা ২ থেকে ৮টি বাচ্চা দেয় এবং বছরে ৪ থেকে ৬ বার বাচ্চা দেয়। তিন মাস বয়সে একটি খরগোশের ওজন ২ থেকে আড়াই কেজি হয়ে থাকে। এটি একটি উৎপাদনশীল ও দ্রুত বর্ধনশীল প্রাণী। খরগোশ তৃণভোজী প্রাণী। এদের খাদ্য সহজলভ্য। অল্প পরিমাণের খাদ্য এদের চাহিদা পূরণ করে। খরগোশের মাংস অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এদের গোশতে চর্বি ও কোলেস্টরলের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশ কম। খরগোশের মাংসে অন্য মাংসের চেয়ে খাদ্যমান অনেক বেশি। আমাদের শরীরে প্রোটিনের অভাব মেটাতে খরগোশের মাংস গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।#সরকার_ফার্মস

খরগোশ পালনে প্রথমেই জেনে নেয়া প্রয়োজন এটি পালনের করণীয় সম্পর্কে। এদের নিরাপদে বাসস্থান, খাদ্য, প্রজনন প্রক্রিয়া, রোগব্যাধি সম্পর্কে ধারণা নিয়েই খরগোশ পালনে অগ্রসর হওয়া ভালো। খরগোশ পালন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাছাড়া খরগোশ পালন সম্পর্কে বেশ কয়েকটি বই বেরিয়েছে।প্রয়োজনে বইগুলো সংগ্রহ করলে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। একজোড়া পূর্ণবয়স্ক খরগোশ কেনা যাবে ৪০০-১০০০ টাকায়। প্রতি মাসে এরা বাচ্চা দিতে পারে। তবে বছরে ৮ বারের বেশি বাচ্চা নেওয়া উচিত নয়। প্রতিবার এরা ২ থেকে ৮টি বাচ্চা দেয়। এই হিসেবে বছরে একজোড়া খরগোশ থেকে গড়ে ৩২ থেকে ৪০টি খরগোশ হতে পারে। পাশাপাশি ৩ মাস অন্তর অন্তর এরা পূর্ণবয়স্ক হয়ে পুনরায় এদের থেকেই আবার বাচ্চা জন্ম নেয় এর ফলে পর্যাপ্ত জায়গার ব্যবস্থা রাখতে হয়। গড় হিসেবে দেখা গেছে এক হাজার টাকার একজোড়া ছয়মাস বয়সী বাচ্চাকিনে বছরে ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। মাংস হিসেবে এটি যথেষ্ট চাহিদাসম্পন্ন। বিদেশে এর মাংস ও চামড়া রপ্তানি হয়।

গরমের দরুন খরগোশরা দিনের বেলায় খাবার নেয় না। কিন্তু রাত্রিবেলা ওরা সক্রিয় থাকে। তাই রাত্রিবেলা দেওয়া সবুজ খাবার ওরা নষ্ট না করেই খেয়ে নেয়। এই জন্য ঘনীভূত খাদ্য সক্কালবেলা দেওয়া উচিত্‌।ঘনীভূত খাদ্য পেলেটের আকারে দেওয়া যায়। যদি পেলেট খাবার পাওয়া না যায়, তবে ঘনীভূত খাদ্য জলের সাথে মিলিয়ে ছোট ছোট বলের আকার করে দেওয়া যায়।এক কেজি ওজনের একটি খরগোশকে দিনে ৪০গ্রাম ঘনীভূত খাদ্য এবং ৪০গ্রাম সবুজ খাদ্য দেওয়া উচিত্‌।কচি ঘাস, লতা-পাতা, শস্য দানা, গাজর, মূলা, শশা, মিষ্টি আলু, খড়কুটো, তরকারির ফেলনা অংশ, গম, কুড়া, ভুসি, খৈল, সয়াবিন, দুধ, পাউরুটি, ছোলা ইত্যাদি খরগোশের খাবার। ঘাস, শাক ইত্যাদি সব সময় শুকনা বা ঝকঝকে অবস্থায় দিতে হবে। ভেজানো গম বা ছোলা অল্প সিদ্ধ করে দেয়া যেতে পারে। এর সাথে ভুসি মিশিয়ে দিলে আরো ভালো হয়।#SARKER_FARMS

সতর্কতাঃ খরগোশ বাচ্চা প্রদানের পর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই প্রসবকৃত বাচ্চাগুলো চলাফেরা করতে পারে। বাচ্চা প্রসবের সময় এরা অবশ্য নিরাপদ আশ্রয় খোঁজে। কারণ বেজি, নেড়ি কুকুড়, বিড়াল, সাপ এদের জাতশত্রু। এসব প্রাণী যাতে এদের ক্ষতি করতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

প্রশিক্ষণ নিলে আরও ভাল হয়। খরগোশ পালনের ক্ষেত্রে যারা খরগোশ পালন করে তাদের কাছ থেকে খরগোশ পালনের বিস্তারিত জেনে নিতে হবে। এছাড়া খরগোশ পালন সংক্রান্ত কোন তথ্য জানতে হলে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ইউনিয়ন পর্যায়ে পশু কর্মকর্তা অথবা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করা যেতে পারে। এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্ধারিত ফি এর বিনিময়ে পশু পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। খরগোশের মাংস অনেক সুস্বাদু এবং কম কোলেস্টেরল যুক্ত হওয়ায় এর চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। এছাড়া খরগোশ নিরীহ ও জনপ্রিয় প্রাণী যা অনায়াসে খাঁচায় পালন করা যায়। খরগোশের চামড়া, পশম, মাংস এবং খরগোশের বাচ্চা বিক্রি করে বাড়তি আয় করা সম্ভব পূর্ণকালীন এমনকি খন্ডকালীন পেশা হিসেবেও খরগোশ পালন উত্তম হতে পারে ।

Friday, 10 February 2023

থাই লেবু চাষ


আমাদের দেশে প্রায় বার মাস কাগজি লেবু পাওয়া যায়। লেবু দিয়ে শরবত তৈরি করা যায় এবং লেবু সালাদের সাথে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া লেবু দিয়ে আচার তৈরি করা যায়। কিছু কিছু খাবারে টক স্বাদ আনতে লেবু ব্যবহার করা যায়। লেবু খুবই জনপ্রিয় তাই সব সময় এর চাহিদা থাকে। লেবুর চাষ করে পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি বাড়তি আয় করাও সম্ভব। লেবু ও সবজি যেন একে অপরের পরিপূরক। প্রায় সকল প্রকারের সবজিতে লেবু খা্ওয়া যায়। লেবু খাবারের রুচি বৃদ্ধি করে এবং খাবারে আনে ভিন্ন স্বাদ। আমাদের দেশে বিভিন্ন ফলমূলের মধ্যে লেবু অন্যতম। লেবু টক জাতীয় ফল। বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতেই লেবুর চাষ হয়।লেবুর চোছা প্রাকৃতিক হজমী হিসেবে কাজ করে।খাবারে রুচি ফিরিয়ে আনে।

পুষ্টিগুণ:লেবুতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এছাড়াও লেবুর রস মধুর সাথে অথবা লবণের সাথে মিশিয়ে পান করলে ঠান্ডা ও সর্দি কাশি সারে।চায়না লেবুর রস ও চোছা ৮০% ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।উচ্চ রক্তচাপ কমায়।লেবু ভিটামিন ‘সি’তে ভরা। অতিপরিচিত এই লেবুর আছে অনন্য সব রোগ প্রতিরোধী গুণ।তাই খাবার শেষে লেবুর খোসা ফেলে না দিয়ে আমরা ব্যাবহার করতে পারি নিত্য দিনের নানা কাজে।লেবুর খোসায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, পেকটিন, ফাইবার এবং মিনারেলস যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আসুন জেনে নিই লেবুর রসের পাশাপাশি লেবুর খোসার কার্যকারিতা সম্পর্কে- "পোস্ট টি শেয়ার করে নিজেদের প্রোফাইলে রাখুন" আমাদের পোস্ট গুলো পেতে পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

ক্যান্সার প্রতিরোধকঃ মরণ রোগ ক্যান্সার। আর এ মারণ রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে লেবুর খোসা। চিকিৎসকরা জানান, চায়ের সঙ্গে লেবুর খোসা মিশিয়ে খেলে আমাদের শরীরের ক্যান্সার কোষ তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সানবার্ন প্রতিরোধঃ সৌন্দর্যের দিক থেকে লেবুর খোসা সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করলে ত্বকে সানবার্ন প্রতিরোধ করা যায়।#সরকার_ফার্মস

ভিটামিন-সিঃ লেবুর খোসায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি থাকে। যা আমাদের হাড়কে আরও মজবুত করতে সাহায্য করে। হাড়ের বিভিন্ন অসুখ যেমন, পলিআর্থারাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং বিভিন্ন প্রকার আর্থারাইটিস প্রতিরোধ করে।

ওজন কমায়ঃ অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য লেবুর খোসার উপকারিতা অনেক। লেবু গরম পানির সাথে মিশিয়ে পান করতে হবে।

স্ট্রেস কমায়ঃ শরীর থেকে স্ট্রেসও কমায় লেবুর খোসা।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণঃলেবুর খোসা আামদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং বিভিন্ন হৃদরোগ যেমন স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাঃ হজম শক্তি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় লেবুর খোসা।

চিনি ঝরঝরে রাখতেঃরান্নাঘরের চিনির কৌটায় রেখে দিতে পারেন এক টুকরো লেবুর খোসা। এর ফলে চিনি থাকবে একেবারে ঝরঝরে।

মুখের দুর্গন্ধ এড়াতেঃমুখের দুর্গন্ধ দূর করতে জুড়ি নেই লেবু বা কমলার খোসার। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এবং কিছুক্ষণ পরপর সারাদিন লেবু বা কমলার খোসা চিবাতে পারেন। এতে যেমন আপনার মাড়ি ভালো থাকবে তেমনি নিঃশ্বাসে থাকবে প্রাকৃতিক সজীবতা।

পোকা-মাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পেতেঃ আলমারি বা ওয়ারড্রবকে কীটপতঙ্গ থেকে মুক্ত রাখতেও লেবুর খোসার জুড়ি নেই। লেবুর শুকনো খোসা শুকিয়ে একটি ছোটো পলিপ্যাকে নিয়ে মোজা কিংবা অন্তর্বাসের ড্রয়ারে রেখে দিন। দুর্গন্ধ তো দূর হবেই, সাথে সাথে আপনার পোশাক হবে দারুণ সুরভিত।

ফ্রিজ সতেজ রাখতেঃ ফ্রিজের ভেতরে দুর্গন্ধ এড়াতে রেখে দিতে পারেন দুই এক টুকরো লেবুর খোসা। এতে ফ্রিজ থাকবে লেবুর সুগন্ধময়।

ডাস্টবিনে দুর্গন্ধ এড়াতেঃ দুর্গন্ধময় ময়লা-আবর্জনায় লেবুর খোসা নিক্ষেপ করুন। লেবুর খোষা দুর্গন্ধ শুষে নিবে। 

চায়ের কেটলি বা কফি পট পরিষ্কার করতেঃজমে থাকা চা কিংবা কফির পট পরিষ্কার করতে পারেন লেবুর খোসা দিয়ে। এক্ষেত্রে কেটলিতে পানি নিয়ে লেবুর খোসা দিয়ে কিছুক্ষণ সেদ্ধ করতে হবে। এরপর ময়লা জায়গা পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।

কাটিং বোর্ড পরিষ্কার করতেঃকাটিং বোর্ডের সব ময়লা দাগ পরিষ্কার করতে লেবুর খোসা কেটে কয়েক ঘণ্টা রেখে দিন। দেখবেন একেবারে ঝকঝকে হয়ে গেছে।

মাইক্রোওয়েভ পরিষ্কার করতেঃমাইক্রোওয়েভের তেল চিটচিটে হলে বাটিতে পানি দিয়ে লেবুর খোসা ছেড়ে গরম করতে হবে। এরপর পানি দিয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এতেই মাইক্রোওয়েভ ঝকঝকে হয়ে যাবে।

ত্বক উজ্জ্বল করতেঃত্বকে মেসেজ করে ধুয়ে ফেললে নরম, কোমল ও উজ্জ্বল ত্বক পাওয়া যায়।

বয়সের দাগ দূর করতেঃ মানুষের যখন বয়স বাড়ে তখন শরীরে বয়সের দাগ পড়ে যায়। এই দাগের ওপর লেবুর খোসা ঘসলে তা উঠে যায়।

স্কিন টনিক হিসাবেঃ লেবুর খোসা ত্বকে অল্প ঘষে ধুয়ে ফেললে এটি ত্বকের স্কিন টনিক হিসাবে কাজ করবে।

লেবুর জাত:আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের লেবুর জাত রয়েছে। তাদের মধ্যে কিছু উচ্চফলনশীল লেবুর জাত হচ্ছে, থাই লেবু,বারি লেবু-১, বারি লেবু-২, বারি লেবু-৩, বাউ কাগজী লেবু-১, বাউ লেবু-২ ইত্যাদি।বর্তমানে বারমাসই উচ্চ ফলনশীল থাই ও চায়না লেবু বানিজ্যিকভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ সকল জাতের লেবু গাছ থেকে বেশি ফল পাওয়া যায় জুলাই-আগষ্ট মাসে।

চাষের উপযোগী পরিবেশ ও মাটি:মার্চ অক্টোবর মাসে লেবুর চারা রোপণ করতে হবে। প্রায় সব ধরণের মাটিতে লেবুর চাষ করা যায়। কিন্তু অম্ল যুক্ত দো-আঁশ মাটি বেশি উপযোগী। এ মাটিতে লেবু উৎপাদন ভাল হয়।তবে লেবুর গাছ বার মাসই রোপন করা য়ায়।

চারা উৎপাদন:লেবুর চারা বীজ হতে উৎপন্ন হয়। এছাড়াও কলম থেকে চারা উৎপাদন করেও চাষাবাদ করা যায়।

চারা রোপণ পদ্ধতি:

১. গুটি কলম ও কাটিং তৈরি করে মে থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত লেবুর চারা রোপণ করা হয়।

২. চারা রোপণের সময় একটা চারা হতে আর একটা চারার দূরত্ব কম পক্ষে স্কয়ার ৫-৭ ফিট হতে হবে।

৩.বীজের চারা ৮-১০ মাসের চারা রোপণ করলে ভাল হয়।

সার প্রয়োগ:ভালো ফলন পেতে হলে জৈব সারের বিকল্প নেই বললেই চলে। মাটি পরীক্ষা করে মাটির ধরণ অনুযায়ী সার দেওয়া উচিত। জৈব সার ব্যবহার করলে মাটির গুণাগুণ ও পরিবেশ উভয়ই ভালো থাকে।এছাড়া ভালো ফলন পেতে হলে জমিতে আবর্জনা পচা সার ব্যবহার করা যেতে পারে।

সেচ: শুকনা মৌসুমে ২-৩ বার সেচ দিতে হবে।

রোগবালাই:

১. প্রধান প্রধান শেকড়ের মধ্যে লেবুর পোকা ও ফলমাছি কাঁচা ফল থেকে রস শুষে নেয়।

২. ফলমাছি ফলের ভেতরের অংশ ক্ষতি করে।

প্রতিকার:এসব পোকা দমনে বিভিন্ন ধরণের কীটনাশক পাওয়া যায়। এতে যদি পোকা দমন নামে ২-৩ বার সেচ দিতে হবে। এবং বর্ষার সময় গাছের গোড়ায় পানি জমতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।যদি না হয় তাহলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার সাথে বা কৃষি অফিসে পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

চাষের সময় পরিচর্যা:#SARKER_FARMS

১. একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের দূরত্ব স্কয়ার ৫-৭ ফিট হতে হবে।

২. শক্ত মাটি গাছের চারদিকে সরিয়ে দিতে হবে।

৩. অতিরিক্ত এবং শুষ্ক ডাল ছাঁটাই করতে হবে।

৪. নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।

ফল সংগ্রহ:একটা পূর্ণ বয়স্ক থাই লেবু গাছ থেকে বছরে কম পক্ষে ২০০০-৪০০০টি লেবু পাওয়া যেতে পারে। লেবু পুষ্ট হলে লেবু গায়ে তেলতেলে ভাব দেখা দেয়। ফল কিছুটা হালকা হলুদ রঙ ধারণ করলে ভাদ্র মাসের শুরু থেকে আশ্বিন মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়।এসময় লেবু সবচেয়ে বেশি থাকে গাছে।তবে থাই লেবু কম বেশি বারমাসই গাছে পাওয়া যায়।

মাছের খাদ্য প্রস্তুত করবেন যেভাবে দেখে নিন

 #মাছের_খাদ্য মাছের সম্পূরক খাদ্য ও সুষম খাদ্য রেসিপি (বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে)- মাছ চাষের জন্য প্রাকৃতিক খাবারের পাশাপশি ভালো মানের সম্পূরক ...